পোস্টগুলি

জুন, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইচ্ছেপূরণ I শুভ চন্দ্র দাস

ছবি
চলতি পথে হঠাৎ দেখা । ভাবিনি দেখা হবে কখনো। কিন্তু মনে একটা আশা পুষে রেখেছিলাম সবসময়, আবার আমাদের এক দিন দেখা হবে, শেষ কথা হলেও হবে। দু’মাস আগে সরকারী আদেশে কক্সবাজার শহরে বদলী হলাম। সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ২ টা পর্যন্ত রোগী দেখি। মাঝে মাঝে রোহিঙ্গা দের নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করি। মস্তিষ্ক উত্তেজিত হয়। কিন্তু এসবই এক মাস এর জন্য।  এরপর আবার আগের মত উদাসীন হয়ে যাই। কিন্তু মনে মনে ক্ষীণতম আশা ছিল দেবযানীর সাথে আমার দেখা হবে। এ শহর  দেবযানীর শহর। রোজ বিকেলে সমুদ্র দেখতে যেতাম, রোগীদের অপেক্ষমান ভীড়ে আমার চোখ প্রিয় একটা মুখের খোঁজ করত। আচ্ছা? দেবযানীর কি অসুখ হয় না? ও কি সমুদ্র দেখতে আসে না? তাহলে তাকে দেখতে পেতাম।  সবসময় একটা নেই নেই ভাব পেয়ে বসেছিল আমায়। এরপর হঠাৎ এক সন্ধ্যার পর তার দেখা। এক রোগী দেখে ফিরছিলাম। মুষল ধারে বৃষ্টি হচ্ছে। আর মাঝে মাঝে মেঘের গর্জন আর বিজলী আসন্ন দুর্যোগের ভাল করেই আভাস দিচ্ছিল। হঠাৎ দেখি বট গাছের নিচে কেউ এক জন দাঁড়িয়ে লিফট চাচ্ছে। কাছে গিয়ে হৃদ স্পন্দন থেমে যায়। এ আর কেউ না, এ আমার কৈশোরের দেবযানী। দেবযানীর সাথে পরিচয় যখন ক্লাস সিক্সে ভর্তি ...